হোসনে আরা জেমী: কবিতার ভুবনে এক যাত্রী
হোসনে আরা জেমীর কবিতা এক অন্তহীন যাত্রা। স্মৃতি, বেদনা, প্রেম আর নির্বাসনের এক ছায়া, যেন আর অন্য কারো সাথে মিশে আছে।
হোসনে আরা জেমীর কবিতা এক অন্তহীন যাত্রা। স্মৃতি, বেদনা, প্রেম আর নির্বাসনের এক ছায়া, যেন আর অন্য কারো সাথে মিশে আছে।
আমার প্রিয় ১০ বাংলা কবিতা: আমরা চাষ করি আনন্দে, হে বন্ধু বিদায়, কুড়ি বছর পরে, কাজলা দিদি, কবর, অবিভক্ত ভারত, কেউ কথা রাখেনি, নূরলদীনের সারাজীবন, সংগীতা, আমার সোনার বাংলা।
তাহসিন রিফাত নূর রুফতি
সিনেমাপাড়ায় ফ্যাফ্যা করে ঘুরে বেড়ানোদেরই আরেকজন, মাথার মধ্যে কয়েকটা বিষ্ফোরক জমে আছে- কোনও না কোনওদিন ঝড় হবে। তাই নিয়ে রুফতি লিখেছে- ঠান্ডা ভাত অথবা নিছক ভূতের গল্প!
It’s a camouflage A sudden fear of lost clouds, In a very inappropriate moment.
মেহেদী স্বাধীনের একটি তুল্য আলোচনা শিল্প, সাহিত্য ও নাটকের ইতিহাসে এমন কিছু নাম রয়েছে, যাদের অতিক্রম করা কেবল কঠিন নয়—প্রায়
ইফেলের কবিতারা যেন এক আড়ালে থাকা আর্তনাদ, শব্দেরা নীরবতা হয়ে যেন কাঁদছে! আর নীরবতাই চিৎকার। এখানে ফুসফুস কেবল দেহের অঙ্গ
দেখতে দেখতে তিন মাস হয়ে গেল রানির এখানে থাকার। ভরা বর্ষায় এসেছেন, এখন শীত প্রায়। ঠাণ্ডা হাওয়াটা রাতে জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকলে কি যে মনে আসে, কি যে মন চায়। কদবেলহীন গাছে নতুন কিশলয় দেখা দেয় কি দেয় না, জোৎস্না রাত দোল দেয়। ছাদের আলিশাতে বসে থাকি দূরে একটা খরস্রোত নদী কল্পনায় আন্দাজ করি, এঁকেবেঁকে চলে গেছে। আসলে তো গভীর অন্ধকার। আলিশাতে হাত বুলাই এই জায়গায় রানি দাঁড়াত, ধনুকের মতো টানটান পিঠ, এখন দাঁড়ায় না। বাড়িতে নড়াচড়া বুঝতে পারি, সামনে যাই না, এড়িয়ে চলি। একরাতে ছাদে দাঁড়িয়ে আছি, চোখটা নিচে যায়, ছায়া দুটো, বাবার জানালায় জড়াজড়ি করছে…। মনে মনে বলি বাতি নিভাও না কেন! নিভাও নিভাও!
আমি বৃক্ষপত্র তুলতে তুলতে ভীষণ ক্লান্ত!
সাধ্য থাকলে তাবত বৃক্ষের পত্রই দিয়ে যেতাম।
সমুদ্রের মত গভীর বিস্তৃত
শীতার্ত ভোর- বাতাবী ফুলের কোমল গন্ধ
হৃদয়ে নিবেদিত প্রার্থনার মত
বিহ্বল বাতাস কোলাহল তোলে জানালায়..
ফুলের গন্ধ ঝরে হেমন্তের শিশির জলে
ভোরের বাতাসে শস্যের ঘ্রাণ- এখনও
সম্পর্কগুলো আদতে প্রয়োজনেই গড়ে ভাঙে, তীব্র হেলোসিনেসনে কেবল দেখা দেয় আত্মার অবরূপ যেমন করে আমি দেখি আমার শৈশব! ।।১০২ জ্বর আসছে।।