কালো, কমল, কৃষক, কুণ্ঠে, কৃতার্থ, কতৃত্ব, কর্ম, কাকু, বিষম জীবন, তারেক মেহেদী, তারেক মাহাদী, সুলতান, ঢাকা, চারুকলা, বোকা, ওয়েল পেইন্টিং, জলরঙ

বিষম জীবন আঁকা এক শিল্পী!

Spread the love
Reading Time: 18 minutes

তারেক মেহেদীকে আমি চিনতাম ময়মনসিংহ থাকাকালীন আমার একটা বিশেষ সময়ে। তখন একদম একা একটা ছেলে, আমি। কারও সঙ্গ আমার ভালো লাগতো না। কদাচিৎ ভালো লাগলেও সে বেশি দিনের না। তখন আমি জয়নুল সংগ্রহশালার ছাত্র। গৎবাঁধা পড়াশোনার পাশাপাশি আমি আঁকাআঁকিতে ঝুঁকে পড়ি।

সারাদিন পড়ি-লেখি-আঁকি আর একা-একা ঘুরি। আমার মনে হয় ময়মনসিংহের প্রতিটা অলিতে গলিতে আমার পা পড়েছে। বনে বাঁদাড়ে আমার একাকি রাজত্ব ছিল। আমি গাছের সথে কথা বলতাম, নেড়ি কুত্তা কিংবা পাতি কাকের সাথে আমার খুব ভাব ছিল। সেইসব স্মৃতজাগানিয়া সময় আমাকে প্রতি মুহূর্তে আক্রান্ত করে। 

আমি জানি ওই সময় যারা ময়মনসিংহে ছিলেন তাদের প্রত্যেককেই এই শান্ত শহরের নীরবতা স্মৃতি হয়ে ভর করে। এখন তো আর সেই শহর নাই। অনেক মানুষ আছে অনেকে আবার নাই। আর সেই শহরে ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ রূপে আমরা যারা আক্রান্ত হয়েছিলাম তাদের একজন তারেক মেহেদী। মনে পড়ে পলাশ, মামুন, খায়রুল, রূপক, হিমেল, আরমান, জয়ন্তদা, রাকিব, মুকুলদের কথাও। 

শুনেছি মুকুল এখন জয়নুল সংগ্রশালার কিউরেটর। এই খবর আমাকে আনন্দ দেয়। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র কী আগের মতো আছে? আর তার পাড়ের মানুষ? আর শিরদাঁড়া উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী গাছগুলো? আমার শৈশব আমার কৈশোর?

বন্ধুদের কাছে শুনেছি এসবের কিছু নেই। তথাকথিত উন্নয়নকামীদের মতো ময়মনসিংহের কতিপয় গাড়ল মানুষ উঁচা উঁচা বিল্ডিং তুলে নিজেদের উন্নয়ন করছে। সরকারের অপ্রয়োজনীয় দরকারের মতো উন্নয়ন আমার শৈশবকে কবর দিয়ে দিয়েছে।

তারেক মেহেদীর সাথে অনেক দিন পর দেখা। আমরা এসবের অনেক কিছুই বলি। আমাদের দীর্ঘ নিঃশ্বাসগুলো জানান দেয় আমরা ভিতরে ভিতরে ক্রমশ অঙ্গার হয়ে যাচ্ছি। অথচ আমার আর তারেক মেহেদীর মধ্যে এইসবের কোনো প্রকাশ নাই। আমরা কেবল মানুষ হওয়ার জন্য নয় উন্নত মানুষ হওয়ার জন্য কী কী সব যেন বিসর্জন দিয়েছি। আসলে আমরা কতোটা কী হয়েছি কিংবা হতে চেয়েছি? আমরা কি আসলে কিছু হতে চেয়েছি। এটা সংশয় মনে হলেও, এই নিয়ে আমরা ভাবিনি।

তারেক মেহেদী এখন আপাদমস্তক শিল্পী। শিল্পীর মতো জীবন যাপন করে। নীরবে নিড়ালে একাকি ছবি আঁকে। সুলতানের সাথে কোথায় যেন একটা মিল আছে। সুলতানের আঁকার প্যাটার্নের সাথে মিল না থাকলেও শিল্পীয় প্রয়োগে দর্শনগত জায়গায় অদ্ভুত মিল আছে। আমার সব সময় মনে হতো সুলতান আসলে নিজেকে আঁকে, তারেক মেহেদীর আঁকা দেখলেও মনে হয় আসলে সে নিজেকেই আঁকছে। নিজেকে আঁকার মানেই কিন্তু একক ব্যক্তিসত্ত্বা না, বরং সামগ্রিকতার সম্ভার। প্রাণ, সমাজ, জগত-মহাজগত কোনো কিছু ছাপিয়েই ব্যক্তি নিজেকে আলাদা করে রাখেনা। সমগ্রকে নিজের ভিতর ধারণ করে বলেই সে হয়ে উঠে সামগ্রিক থেকে আলাদা। প্রতিদিন ভোরে পাখির ডাক শুনতে যেমন আমাদের ভালো লাগে তেমনি ফুলের সৌরভ পেতেও আমাদের ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হলো তার অনেক কিছুই আর সহজে মেলেনা। পুঁজিবাদী বুনিয়াদী রোবটিক্স জগতে আমরা প্রাণের সন্ধান করি! আসলে আমরা কোন প্রাণের সন্ধান করি?
আমার কাছে মনে হয়েছে, বোকার পাঠকদের তারেক মেহেদী-কে জানা উচিত। বোকা বিশ্বাস করে বাংলাদেশের শিল্পীদের কেউ কেউ এখনও আঁকছে। জীবনের নানান কিছু প্রত্যাখ্যান করে আঁকতে পারা লিখতে পারা নির্মাণ করতে পারার মধ্যেই আসলে প্রকৃত শিল্পীর দেখা মেলে। এইটা ক’জনার মধ্যে মেলে?

তারেক মেহেদী
শিল্পী তারেক মেহেদী

পরিচিতি: তারেক মেহেদী, বাংলাদেশের প্রতিভাবান এবং প্রতিশ্রুতিশীল চিত্রশিল্পী। যিনি মানুষের যন্ত্রণাগুলোকে সহজ করে আঁকতে চেয়েছেন। তার চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে উন্নত জীবনের সন্ধান করেন।

আমার অনুরোধে তারেক মেহেদী বো-কাপা-ঠকদের জন্য তার বেশকিছু চিত্রকর্ম উপস্থাপন করেছে। গ্যালারিতে চিত্রকর্মগুলো সাজানো থাকলো। এছাড়া বোকার হয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছে তারেক মেহেদী। কোনো সম্পাদনা ছাড়া সেসব আলাপ-আলোচনা তুলে ধরা হলো।

প্রশ্ন-১: ঠিক কী কারণে মানুষের বিষম যন্ত্রণাগুলো আপনার ক্যানভাসে তুলে আনছেন? আপনার নিজের যন্ত্রণাটা আসলে কী?

তারেক মেহেদী: আমিতো বিশ্বসভ্যতার বাইরের মানুষ নই আর আত্মসুখে অন্ধও নই। তাই হয়তো মানুষের অসহায়ত্ব বিষয়বস্তু হিসাবে বারবার উঠে আসে। জীবনে এতটুকু বুঝেছি- কেউ একা ভালো থাকতে পারেনা। আমরা ভালো নেই, আমিও ভালো নেই। আর, ব্যক্তিগত যন্ত্রণাগুলো নাহয় ব্যক্তিগতই থাকুক।

প্রশ্ন-২:

জীবনে কী করতে চেয়েছিলেন আর এখন কী করছেন?

তারেক মেহেদী: জীবনের দীর্ঘ সময় আমি কিছুই করতে চাইনি, হতেও চাইনি। তবে কৈশোরে ডানা লাগিয়ে পাখির মতো উড়বার দিবাস্বপ্ন দেখতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবস্থার শেষদিকে ক্ষ্যাতিমান শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। এ সমাজ আমাকে এ স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলো। আমিও সে স্বপ্নে অন্ধ ছিলাম কিছুকাল। জীবনের বোঝাপড়া বাড়ার সাথে সাথে এমন স্বপ্ন দেখতে সংকোচ বোধ হয়, এখন আমাদের জীবনের উন্নত রূপ দেখার ও দেখাবার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন-৩: শুনেছি আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কেন? শিল্পী হলেই একা থাকতে হবে নাকি?

তারেক মেহেদী: একা থাকতে ঠিক কী বুঝিয়েছো জানিনা। হ্যাঁ, বিয়ে করে যে সংসার সবাই করে তা আমার করা হয়ে উঠেনি। আমি আমার অস্তিত্বের সঙ্গ পছন্দ করি যাকে সবাই একাকিত্ব মনে করে, সুস্থ সুন্দর মানুষের সঙ্গও পছন্দ করি। আমার কিছু বন্ধু-বান্ধবও রয়েছে।

প্রশ্ন-৪: বোকা দেখেছে আপনার আঁকায় সুলতানের রেশ আছে, তাই কি?

তারেক মেহেদী: সুলতান মানুষের কথা বলতেন উনার নিজের ভাষায়, আমিও মানুষের কথা বলি আমার নিজের ভাষায়। আর মানুষে মানুষে মিল কোথাও না কোথাও তো থাকবেই।

বোকার মনে হয়েছে তারেক মেহেদী নিভৃতচারী! আড়ালে থাকতে পছন্দ তার। বোকা প্রশ্নটা করেই ছাড়লো-

প্রশ্ন-৫: আড়ালে থাকতে পছন্দ করেন কেন?
তারেক মেহেদী: সুস্থ-সুন্দর ও উন্নত প্রকাশের অপেক্ষায় আছি, তাই।

প্রশ্ন-৬: আড়ালে থেকে পুঁজিবাদকে কী করে প্রত্যক্ষ করছেন?

তারেক মেহেদী: আড়ালে থাকলে পুঁজিবাদকে দেখা যাবেনা এমনতো নয়! মাতৃগর্ভ থেকে কাফনের কাপড় পর্যন্ত পুঁজিবাদ বিস্তৃত।

প্রশ্ন-৭: বাংলাদেশে চিত্রশিল্পীদের সংগ্রামটা কী? একজন তরুণ শিল্পীর চোখে সংগ্রামটা কেমন জানতে চাই?

তারেক মেহেদী: এ প্রশ্নের উত্তর অল্প শব্দে দেয়া কঠিন। তাই সরাসরি উত্তরটাও দেবো না, শিল্পাচার্যের একটি উক্তি- ‘রুচির দুর্ভিক্ষ…’ প্রসঙ্গে যা লিখেছিলাম সেটাই অনেকটা প্রাসঙ্গিক বলে তুলে দিলাম।   “এখন আর রুচির দুর্ভিক্ষ নাই, পুরোটাই শ্মশান ঘাট! জীবন্ত লাশগুলো সৎকারের অপেক্ষায়, পুরোহিতও খুঁজে পাওয়া দায়।”

প্রশ্ন-৮: আপনার পূর্বেকার শিল্প উপস্থাপন, এক্সিবিশনগুলোর কথা বলুন।

তারেক মেহেদী: শিল্প উপস্থাপন তো কিছু  হয়েছে দেশে বিদেশে, তবে তা যে মানুষদের জন্যে করা তাদের খুব একটা কাজে লেগেছে বলে মনে হয়না। এর মাঝে একক প্রদর্শনী আমার একটাই হয়েছে, তা ২০১১ সালে ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা’র গ্যালারিতে।

প্রশ্ন-৯: তারেক মেহেদী তার শিল্প উপস্থাপন নিয়ে কী ভাবছেন?

তারেক মেহেদী: চিত্র শিল্প উপস্থাপন সাধারন মানুষের কাছে পৌঁছুতে ব্যর্থ উপলব্ধি করায় এর পাশাপাশি শিল্পের ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা হয়েছে। শব্দ শিল্প উপস্থাপনের দিকেও কিছুটা  অগ্রসর হয়েছি, সবকিছুর সমন্বয়ে হাঁটার চেষ্টা করছি শুধুমাত্র বিষয়বস্তুর ভাব সাবলীলভাবে প্রকাশের স্বার্থে।

প্রশ্ন-১০: নতুন পরিকল্পনা কী?

তারেক মেহেদী: মানব জীবন ও শিল্প বোঝাপড়ায় কিছু সংশোধন ও উন্নত জীবন চর্চার প্রত্যাশায় “সৌন্দর্য ও কদর্যের চেতনা” নামে একটি বই লিখছিলাম, তাই প্রকাশ করতে যাচ্ছি।

প্রশ্ন-১১: জন্মভিটা বেড় উঠা সম্পর্কে জানতে চাই।

তারেক মেহেদী: আমার জন্ম দাদাবাড়ি ময়মনসিংহের ভূগলী গ্রামে। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে বিভিন্ন স্থানে থাকা হয়েছে। যদিও শৈশব ও কৈশর কেটেছে ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্রের পাড় ঘেসে।

প্রশ্ন-১২: কীভাবে চলছে জীবন জীবিকা?

তারেক মেহেদী: ছবি এঁকেই জীবন চলেছে এক যুগের উপর, এখনো চলছে।

প্রশ্ন-১৩: বাংলাদেশ নিয়ে আপনার চিন্তা কী?

তারেক মেহেদী: চিন্তা-চেতনায়, চর্চায়, অধিকারবোধে বাংলাদেশের নাগরিকদের স্বাধীনতার সচেতনতা ও রাজনৈতিক সচেতনতা প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন দরকার এবং তা প্রাথমিক শিক্ষাপর্যায় থেকেই।

প্রশ্ন-১৪: একজন শিল্পীর জন্য কেমন বাংলাদেশ কাম্য?

তারেক মেহেদী: শিল্পী-সাহিত্যিক বুঝি না মানুষ হিসাবে আত্মসম্মান নিয়ে সুন্দরভাবে বাঁচা যায় এমনই দেশই সকলের কাম্য।

প্রশ্ন-১৫:

 তৈলচিত্র আপনার বিশষ পছন্দ, কেন?

তারেক মেহেদী: ষোল সতেরো বছর বয়সে তৈল রঙের সাথে প্রথম পরিচয়। সেখান থেকেই এর ব্যবহারের সাথে এক ধরনের স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি হয়েছিল, কিন্তু এর তীব্র গন্ধ আমাকে অসুস্থ করে তুলেছিল বলেই আমাকে তৈল রঙের ব্যবহার ছাড়তে হয়েছে। প্রায় এক যুগ ধরে আমি এক্রেলিক রঙে কাজ করছি।

প্রশ্ন-১৬: প্রিয় শিল্পীর কথা বলুন?

তারেক মেহেদী: অনেক শিল্পীর কাজই আমার ভালোলাগে। অনেক শিল্পীই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে তবে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি আমাকে এক বিস্ময়ের সমুদ্রে দাঁড় করায়।

প্রশ্ন-১৭: তুলির আঁচড়ে আসলে কী এবং কাদের জীবন আঁকতে চাইছেন?

তারেক মেহেদী: তুলির আঁচড়ে উন্নত জীবন  দেখাবার চেষ্টা করছি, সেজন্যে মানুষের কালো ও সাদা দুটো দিকের উপস্থাপনই রয়েছে। এখন অবশ্য ছবি আঁকতে ইচ্ছে করেনা। কারণ, রঙতুলিতে উন্নত মানুষের রূপায়ণ খুব একটা সাধারণের কাছে পৌঁছায় না, আর তারা শিল্পের সূধা গ্রহন করার অবস্থানেও নেই। আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি সবকিছুতে আমরা পুঁজিবাদের চাপে অন্তঃসারশূন্য মানুষে পরিণত হয়েছি। আমার চারপাশের দৈন্য অবস্থা আমার অনেক শিল্পকর্মেই উঠে এসেছে । আর আসবেই না বা কেন, একজন শিল্পীতো আর সমাজ বহির্ভূত কেউ নন।

প্রশ্ন-১৮:

সুন্দর কী?

তারেক মেহেদী: প্রেক্ষাপট এবং দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভর করে আমরা সুন্দরের সংজ্ঞা করি। যেমন- আলো ও অন্ধকার দুটোই সুন্দর হতে পারে। আবার ক্ষেত্র বিশেষ অসুন্দরও প্রমাণিত হতে পারে।

প্রশ্ন-১৯: কখন বুঝলেন আপনার মননে মগজে শিল্পীয় সত্ত্বার বসবাস?

তারেক মেহেদী: কখনোই বুঝিনি, তবে এটা বুঝেছি মানুষ হিসেবে উন্নত না হতে পারলে এ জন্মের পুরোটাই অর্থহীন।

তারেক মেহেদীর নির্বাচিত শিল্পকর্ম

রবীন্দ্রনাথ নিজের চিত্রকর্ম নিয়ে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন, “ঐগুলি কেবল রেখাই নয়, ঐগুলি তার থেকেও কিছু বেশি। আমার চিত্রাঙ্কিত স্বপ্ন এক কাব্যিক কল্পনার দর্শন।”

বোকা কাব্যিক কল্পনার কথা কইছেনা। বোকা কইছে সামগ্রিক বাস্তবতার কথা। শিল্প, জীবনের বাইরে মহাজাগতিক অনুর্বর কোনো বিভ্রম নয়!   

শিল্পাচার্যের দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা, মই দেয়া, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, কাক ইত্যাদি যেমন সময়কে তুলে আনে তেমনি বোকা সময়কে তুলে ধরবার ক্যানভাসগুলো খুঁজে বেড়ায়। বোকা উপদ্রব করেনা, বোকা বলেনা কিছু! বোকা দেখে কী করে গ্রাফিতি হয়ে যায় প্রাণ! বোকা দেখে, এখানে প্রাণের কোনো উচ্ছ্বাস নেই, আছে ভয় আর শঙ্কার চোখ রাঙানি!

সকল চোখ রাঙানি থেকে বেরিয়ে বোকা চেয়েছে নির্বাককে সবাক করতে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে শিল্পী তারেক মেহেদীর নির্বাচিত শিল্পকর্ম আর এক সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা; নিশ্চয়ই ভালো লাগবে বো-কাপা-ঠকদের। 

তারেক মেহেদীর এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন, মেহেদী হাসান স্বাধীন।

2 thoughts on “বিষম জীবন আঁকা এক শিল্পী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *